ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এক নজরে যশোর জেলা Logo বান্দরবানে তৈরি হচ্ছে ভোজ্য তেল তুলার বীজ থেকে Logo আবেদন অনলাইনে, চাকরি দিচ্ছে মেঘনা গ্রুপ Logo বিষাক্ত সাপ কামড়ালে করণীয় কী, বিষাক্ত সাপ চিনবেন কীভাবে, জানালেন চিকিৎসক Logo যানজটে পড়লে ট্রাফিক পুলিশের সহায়তা নিতে পারবেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা Logo ব্ল্যাকমেইল করে চলতো দেহব্যবসা, অনলাইনে শত শত তরুণীর অশ্লীল বিজ্ঞাপন Logo কতটা সুরক্ষিত বাংলাদেশ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক সূচক প্রকাশ Logo বিএনপির ছয় নেতাকে আমন্ত্রণ জানাল আ.লীগ ফখরুলসহ Logo সেই শিক্ষকের স্ত্রী মারা গেলেন বিনা চিকিৎসায় পেনশন আটকে থাকাই Logo সুগন্ধি ব্যবহারের বিষয়ে হাদিসে যা এসেছে-জুমার দিনে

কতটা সুরক্ষিত বাংলাদেশ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক সূচক প্রকাশ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১২:৪০:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪ ১২ বার পড়া হয়েছে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক সূচক প্রকাশ, কতটা সুরক্ষিত বাংলাদেশ

**কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক এবং নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় বৈশ্বিক প্রস্তুতি সূচক**

**কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রস্তুতি সূচক প্রকাশ**
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ২৫ জুন, মঙ্গলবার, বিশ্বের ১৭৪টি দেশের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রস্তুতির সূচক (এআইপিআই) প্রকাশ করেছে। এই সূচকটি দেশগুলোর ডিজিটাল অবকাঠামো, মানব সম্পদ, শ্রম নীতি, উদ্ভাবন, একীকরণ, এবং নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা বিবেচনায় নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এআই সম্পর্কিত ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশগুলোর প্রস্তুতির মানচিত্র তৈরি করেছে আইএমএফ।

**কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব**
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান প্রযুক্তি নির্ভর পৃথিবীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। এই প্রযুক্তির সামাজিক এবং আর্থিক প্রভাব নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা প্রণয়ন এবং আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জাতিসংঘও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকগুলো নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক মানের নির্দেশিকা প্রণয়নে কাজ করছে। ২১ মার্চ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কিত প্রথম বৈশ্বিক রেজল্যুশন পাস হয়, যা যুক্তরাষ্ট্র উত্থাপন করে এবং আরও ১২৩টি দেশ এর সহপ্রস্তাবক ছিল।

**প্রতিবেদনের মূল বিষয়বস্তু**
এআই প্রযুক্তি উৎপাদনশীলতা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, এবং আয় বাড়াতে পারে, তবে লাখো মানুষকে কর্মচ্যুত করতে পারে এবং বৈষম্য বাড়াতে পারে। আইএমএফের জানুয়ারির গবেষণায় দেখা গেছে, উন্নত অর্থনীতিতে ৩৩ শতাংশ, উদীয়মান অর্থনীতিতে ২৪ শতাংশ, এবং নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে ১৮ শতাংশ কর্মসংস্থান বিপন্ন হতে পারে। তবে এআই কর্মক্ষেত্রে মানুষের পরিপূরক এবং সহায়ক হাতিয়ার হতে পারে, নতুন কর্মসংস্থান এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প তৈরি করতে পারে।

**বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রস্তুতি**
আইএমএফের মতে, ধনী অর্থনীতির দেশগুলোকে এআই ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও বেশি সমন্বিত ব্যবস্থা নিতে হবে। বাংলাদেশের স্কোর শূন্য দশমিক ৩৮ এবং অবস্থান শূন্য দশমিক ২০ থেকে শূন্য দশমিক ৪০ এর ঘরে, যা দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশ ভারত এবং শ্রীলঙ্কার থেকে একধাপ পিছিয়ে। পাকিস্তান এবং মিয়ানমার বাংলাদেশের থেকে খানিকটা পিছিয়ে রয়েছে।

ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং চীনের অবস্থান সবচেয়ে বেশি সুরক্ষিত। রাশিয়া এবং পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোর অবস্থান এর পরেই। লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর অবস্থান বাংলাদেশ এবং ভারতের প্রায় সমান। আফ্রিকার বেশিরভাগ দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা, মরক্কো, কেনিয়া এবং ঘানা ছাড়া সবচেয়ে অরক্ষিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

Categories

কতটা সুরক্ষিত বাংলাদেশ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক সূচক প্রকাশ

আপডেট সময় : ১২:৪০:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪

**কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক এবং নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় বৈশ্বিক প্রস্তুতি সূচক**

**কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রস্তুতি সূচক প্রকাশ**
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ২৫ জুন, মঙ্গলবার, বিশ্বের ১৭৪টি দেশের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রস্তুতির সূচক (এআইপিআই) প্রকাশ করেছে। এই সূচকটি দেশগুলোর ডিজিটাল অবকাঠামো, মানব সম্পদ, শ্রম নীতি, উদ্ভাবন, একীকরণ, এবং নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা বিবেচনায় নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এআই সম্পর্কিত ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশগুলোর প্রস্তুতির মানচিত্র তৈরি করেছে আইএমএফ।

**কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব**
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান প্রযুক্তি নির্ভর পৃথিবীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। এই প্রযুক্তির সামাজিক এবং আর্থিক প্রভাব নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা প্রণয়ন এবং আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জাতিসংঘও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকগুলো নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক মানের নির্দেশিকা প্রণয়নে কাজ করছে। ২১ মার্চ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কিত প্রথম বৈশ্বিক রেজল্যুশন পাস হয়, যা যুক্তরাষ্ট্র উত্থাপন করে এবং আরও ১২৩টি দেশ এর সহপ্রস্তাবক ছিল।

**প্রতিবেদনের মূল বিষয়বস্তু**
এআই প্রযুক্তি উৎপাদনশীলতা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, এবং আয় বাড়াতে পারে, তবে লাখো মানুষকে কর্মচ্যুত করতে পারে এবং বৈষম্য বাড়াতে পারে। আইএমএফের জানুয়ারির গবেষণায় দেখা গেছে, উন্নত অর্থনীতিতে ৩৩ শতাংশ, উদীয়মান অর্থনীতিতে ২৪ শতাংশ, এবং নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে ১৮ শতাংশ কর্মসংস্থান বিপন্ন হতে পারে। তবে এআই কর্মক্ষেত্রে মানুষের পরিপূরক এবং সহায়ক হাতিয়ার হতে পারে, নতুন কর্মসংস্থান এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প তৈরি করতে পারে।

**বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রস্তুতি**
আইএমএফের মতে, ধনী অর্থনীতির দেশগুলোকে এআই ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও বেশি সমন্বিত ব্যবস্থা নিতে হবে। বাংলাদেশের স্কোর শূন্য দশমিক ৩৮ এবং অবস্থান শূন্য দশমিক ২০ থেকে শূন্য দশমিক ৪০ এর ঘরে, যা দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশ ভারত এবং শ্রীলঙ্কার থেকে একধাপ পিছিয়ে। পাকিস্তান এবং মিয়ানমার বাংলাদেশের থেকে খানিকটা পিছিয়ে রয়েছে।

ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং চীনের অবস্থান সবচেয়ে বেশি সুরক্ষিত। রাশিয়া এবং পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোর অবস্থান এর পরেই। লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর অবস্থান বাংলাদেশ এবং ভারতের প্রায় সমান। আফ্রিকার বেশিরভাগ দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা, মরক্কো, কেনিয়া এবং ঘানা ছাড়া সবচেয়ে অরক্ষিত।