ঢাকা ০৫:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এক নজরে যশোর জেলা Logo বান্দরবানে তৈরি হচ্ছে ভোজ্য তেল তুলার বীজ থেকে Logo আবেদন অনলাইনে, চাকরি দিচ্ছে মেঘনা গ্রুপ Logo বিষাক্ত সাপ কামড়ালে করণীয় কী, বিষাক্ত সাপ চিনবেন কীভাবে, জানালেন চিকিৎসক Logo যানজটে পড়লে ট্রাফিক পুলিশের সহায়তা নিতে পারবেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা Logo ব্ল্যাকমেইল করে চলতো দেহব্যবসা, অনলাইনে শত শত তরুণীর অশ্লীল বিজ্ঞাপন Logo কতটা সুরক্ষিত বাংলাদেশ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক সূচক প্রকাশ Logo বিএনপির ছয় নেতাকে আমন্ত্রণ জানাল আ.লীগ ফখরুলসহ Logo সেই শিক্ষকের স্ত্রী মারা গেলেন বিনা চিকিৎসায় পেনশন আটকে থাকাই Logo সুগন্ধি ব্যবহারের বিষয়ে হাদিসে যা এসেছে-জুমার দিনে

এক নজরে যশোর জেলা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১১:৩৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪ ৬ বার পড়া হয়েছে

এক নজরে যশোর জেলা

যশোর জেলা (খুলনা বিভাগ)

আয়তন: ২৬০৬.৯৪ বর্গ কিমি।

অবস্থান: ২২°৪৮´ থেকে ২৩°২২´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°৫১´ থেকে ৮৯°৩৪´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।

সীমানা:

  • উত্তরে: ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলা
  • দক্ষিণে: সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলা
  • পূর্বে: নড়াইল ও খুলনা জেলা
  • পশ্চিমে: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ

জনসংখ্যা: ২৭৬৪৫৪৭ জন

  • পুরুষ: ১৩৮৬২৯৩ জন
  • মহিলা: ১৩৭৮২৫৪ জন

ধর্ম:

  • মুসলিম: ২৪৪৬১৬২ জন
  • হিন্দু: ৩১০১৮৪ জন
  • বৌদ্ধ: ১১২ জন
  • খ্রিস্টান: ৫৫৫৬ জন
  • অন্যান্য: ২৫৩৩ জন

জলাশয় ও নদী: ভৈরব, চিত্রা, বেতনা, কপোতাক্ষ, মুক্তেশ্বরী

প্রশাসন: যশোর জেলা গঠিত হয় ১৭৮১ সালে। জেলার আটটি উপজেলার মধ্যে মনিরামপুর উপজেলা সর্ববৃহৎ (৪৪৪.২০ বর্গ কিমি) এবং অভয়নগর উপজেলা সবচেয়ে ছোট (২৪৭.২১ বর্গ কিমি)।

জেলা পরিসংখ্যান

  • আয়তন (বর্গ কিমি): ২৬০৬.৯৪
  • উপজেলা:
  • পৌরসভা:
  • ইউনিয়ন: ৯১
  • মৌজা: ১২৬৩
  • গ্রাম: ১৪১৯
  • জনসংখ্যা: ৫১৩৫৫২ (শহর), ২২৫০৯৯৫ (গ্রাম)
  • ঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিমি): ১০৬০
  • শিক্ষার হার (%): ৫৬.৫

সূত্র আদমশুমারি রিপোর্ট ২০১১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

মুক্তিযুদ্ধে যশোরের অবদান

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ রাতে মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সাবেক মন্ত্রী ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এ্যাডভোকেট মশিউর রহমান পাকসেনাদের হাতে বন্দী হন এবং পরে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ২৭ মার্চ পাকসেনাদের গুলিতে অভয়নগরে নওয়াপাড়া রেলস্টেশনের অফিস কক্ষে রেলওয়ের কয়েকজন স্টাফ শহীদ হন। এছাড়াও, নওয়াপাড়া আওয়ামী লীগের সহ-সম্পাদক নজিবর রহমানসহ আরও সতেরো জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

যশোরের বিভিন্ন সংঘর্ষ

২৯ মার্চ যশোর সদর উপজেলায় ক্যাপ্টেন হাফিজ উদ্দিন ও লে. আনোয়ার এর নেতৃত্বে যশোর সেনানিবাসের বাঙালি সৈনিকরা বিদ্রোহ করে বেরিয়ে আসার সময় সংঘর্ষে প্রায় ৩০০ সৈন্য শহীদ হন। ৩০ মার্চ চাঁচড়া মোড়ে মুক্তিযোদ্ধারা ৫০ জন পাকসেনাকে হত্যা করে। এপ্রিল মাসে পাকবাহিনী ঝিকরগাছার কৃষ্ণপুরে অসংখ্য লোককে নির্মমভাবে হত্যা করে।

৫ সেপ্টেম্বর বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের গোয়ালহাটি গ্রামে পাকবাহিনীর সঙ্গে সংঘটিত এক যুদ্ধে শহীদ হন। বাঘারপাড়ার দোহাকুলা গ্রামে সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে রাজাকারদের এক লড়াইয়ে ২ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ৮ ডিসেম্বর সেকান্দারপুর গ্রামে রাজাকারদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ে ৩ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন এবং প্রায় ৩০ জন রাজাকার নিহত হয়।

যশোরে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রভাব

মনিরামপুরের মনোহর গ্রামে পাকবাহিনী ২৩ জন নিরীহ গ্রামবাসীকে নির্মমভাবে হত্যা করে। শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তের পূর্বে কাগজপুকুর এলাকায় পাকবাহিনীর সঙ্গে সংঘটিত লড়াইয়ে ১২ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। পাকবাহিনী পার্শ্ববর্তী ৩টি গ্রাম ভস্মীভূত করে দেয়। ২০ নভেম্বর চৌগাছার জগন্নাথপুর ও গরীবপুর মাঠে পাকসেনা ও যৌথ বাহিনীর (মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধা) মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধে অনেক মুক্তিযোদ্ধা হতাহত হন। এ উপজেলাকে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রবেশদ্বার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ৭ ডিসেম্বর যশোর জেলা শত্রুমুক্ত হয়।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন

যশোর জেলায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে ৫টি স্মৃতিস্তম্ভ, ২টি ভাস্কর্য, ১টি বধ্যভূমি এবং ১টি স্মৃতিসংগ্রহশালা রয়েছে। শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের মাজার উল্লেখযোগ্য।

যশোরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

যশোর জেলার শিক্ষার হার গড়ে ৫৬.৫%; পুরুষ ৫৯.৪%, মহিলা ৫৩.৭%। এখানে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেমন:

  • বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ: ১
  • মেডিকেল কলেজ: ১
  • আইন কলেজ: ১
  • হোমিওপ্যাথিক কলেজ: ১
  • কলেজ: ৭৮
  • পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউশন: ১
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ৫১৬
  • প্রাথমিক বিদ্যালয়: ১২৫৪
  • মাদ্রাসা: ৩৫৯

যশোরের লোকসংস্কৃতি

যশোরের গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের লোকসংস্কৃতির প্রচলন রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জারি, ধুয়োভাব, বাউল, ও ফোলই গান। স্থানীয় আদিবাসী সম্প্রদায় যেমন বেদে, পোদ, কাওরা, বাগদি, এবং বুনো বিভিন্ন লোকজ অনুষ্ঠান পালন করে। বিশেষ করে পূজা ও বিয়ের মতো উপলক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানগুলি বেশ জনপ্রিয়।

যশোরের দর্শনীয় স্থানসমূহ

যশোর সদর উপজেলায় বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান রয়েছে যা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু স্থান হল:

  • জেসগার্ডেন পার্ক: যশোর শহরের একটি জনপ্রিয় পার্ক যা স্থানীয় ও পর্যটকদের প্রিয় স্থান।
  • মনিহার সিনেমা হল: যশোরের প্রাচীন ও বিখ্যাত সিনেমা হল।
  • ইমামবাড়ি: ঐতিহাসিক এবং ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
  • কেশবপুরের ভরতের দেউল: একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
  • খাঞ্জালির দীঘি: একটি সুন্দর ও ঐতিহাসিক দীঘি।
  • সাগরদাড়ি গ্রামের মধুপল্লী: মধুসূদন দত্তের স্মৃতি বিজড়িত স্থান।
  • মীর্জানগর হাম্মামখানা: একটি ঐতিহাসিক হাম্মামখানা।
  • অভয়নগরের খানজাহান আলী জামে মসজিদ: ঐতিহাসিক মসজিদ।
  • শ্রীধরপুর জমিদার বাড়ি: একটি প্রাচীন জমিদার বাড়ি।
  • রূপসনাতন ধাম: একটি পবিত্র ও দর্শনীয় স্থান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

এক নজরে যশোর জেলা

আপডেট সময় : ১১:৩৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

যশোর জেলা (খুলনা বিভাগ)

আয়তন: ২৬০৬.৯৪ বর্গ কিমি।

অবস্থান: ২২°৪৮´ থেকে ২৩°২২´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°৫১´ থেকে ৮৯°৩৪´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।

সীমানা:

  • উত্তরে: ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলা
  • দক্ষিণে: সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলা
  • পূর্বে: নড়াইল ও খুলনা জেলা
  • পশ্চিমে: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ

জনসংখ্যা: ২৭৬৪৫৪৭ জন

  • পুরুষ: ১৩৮৬২৯৩ জন
  • মহিলা: ১৩৭৮২৫৪ জন

ধর্ম:

  • মুসলিম: ২৪৪৬১৬২ জন
  • হিন্দু: ৩১০১৮৪ জন
  • বৌদ্ধ: ১১২ জন
  • খ্রিস্টান: ৫৫৫৬ জন
  • অন্যান্য: ২৫৩৩ জন

জলাশয় ও নদী: ভৈরব, চিত্রা, বেতনা, কপোতাক্ষ, মুক্তেশ্বরী

প্রশাসন: যশোর জেলা গঠিত হয় ১৭৮১ সালে। জেলার আটটি উপজেলার মধ্যে মনিরামপুর উপজেলা সর্ববৃহৎ (৪৪৪.২০ বর্গ কিমি) এবং অভয়নগর উপজেলা সবচেয়ে ছোট (২৪৭.২১ বর্গ কিমি)।

জেলা পরিসংখ্যান

  • আয়তন (বর্গ কিমি): ২৬০৬.৯৪
  • উপজেলা:
  • পৌরসভা:
  • ইউনিয়ন: ৯১
  • মৌজা: ১২৬৩
  • গ্রাম: ১৪১৯
  • জনসংখ্যা: ৫১৩৫৫২ (শহর), ২২৫০৯৯৫ (গ্রাম)
  • ঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিমি): ১০৬০
  • শিক্ষার হার (%): ৫৬.৫

সূত্র আদমশুমারি রিপোর্ট ২০১১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

মুক্তিযুদ্ধে যশোরের অবদান

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ রাতে মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সাবেক মন্ত্রী ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এ্যাডভোকেট মশিউর রহমান পাকসেনাদের হাতে বন্দী হন এবং পরে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ২৭ মার্চ পাকসেনাদের গুলিতে অভয়নগরে নওয়াপাড়া রেলস্টেশনের অফিস কক্ষে রেলওয়ের কয়েকজন স্টাফ শহীদ হন। এছাড়াও, নওয়াপাড়া আওয়ামী লীগের সহ-সম্পাদক নজিবর রহমানসহ আরও সতেরো জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

যশোরের বিভিন্ন সংঘর্ষ

২৯ মার্চ যশোর সদর উপজেলায় ক্যাপ্টেন হাফিজ উদ্দিন ও লে. আনোয়ার এর নেতৃত্বে যশোর সেনানিবাসের বাঙালি সৈনিকরা বিদ্রোহ করে বেরিয়ে আসার সময় সংঘর্ষে প্রায় ৩০০ সৈন্য শহীদ হন। ৩০ মার্চ চাঁচড়া মোড়ে মুক্তিযোদ্ধারা ৫০ জন পাকসেনাকে হত্যা করে। এপ্রিল মাসে পাকবাহিনী ঝিকরগাছার কৃষ্ণপুরে অসংখ্য লোককে নির্মমভাবে হত্যা করে।

৫ সেপ্টেম্বর বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের গোয়ালহাটি গ্রামে পাকবাহিনীর সঙ্গে সংঘটিত এক যুদ্ধে শহীদ হন। বাঘারপাড়ার দোহাকুলা গ্রামে সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে রাজাকারদের এক লড়াইয়ে ২ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ৮ ডিসেম্বর সেকান্দারপুর গ্রামে রাজাকারদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ে ৩ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন এবং প্রায় ৩০ জন রাজাকার নিহত হয়।

যশোরে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রভাব

মনিরামপুরের মনোহর গ্রামে পাকবাহিনী ২৩ জন নিরীহ গ্রামবাসীকে নির্মমভাবে হত্যা করে। শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তের পূর্বে কাগজপুকুর এলাকায় পাকবাহিনীর সঙ্গে সংঘটিত লড়াইয়ে ১২ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। পাকবাহিনী পার্শ্ববর্তী ৩টি গ্রাম ভস্মীভূত করে দেয়। ২০ নভেম্বর চৌগাছার জগন্নাথপুর ও গরীবপুর মাঠে পাকসেনা ও যৌথ বাহিনীর (মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধা) মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধে অনেক মুক্তিযোদ্ধা হতাহত হন। এ উপজেলাকে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রবেশদ্বার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ৭ ডিসেম্বর যশোর জেলা শত্রুমুক্ত হয়।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন

যশোর জেলায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে ৫টি স্মৃতিস্তম্ভ, ২টি ভাস্কর্য, ১টি বধ্যভূমি এবং ১টি স্মৃতিসংগ্রহশালা রয়েছে। শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের মাজার উল্লেখযোগ্য।

যশোরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

যশোর জেলার শিক্ষার হার গড়ে ৫৬.৫%; পুরুষ ৫৯.৪%, মহিলা ৫৩.৭%। এখানে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেমন:

  • বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ: ১
  • মেডিকেল কলেজ: ১
  • আইন কলেজ: ১
  • হোমিওপ্যাথিক কলেজ: ১
  • কলেজ: ৭৮
  • পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউশন: ১
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ৫১৬
  • প্রাথমিক বিদ্যালয়: ১২৫৪
  • মাদ্রাসা: ৩৫৯

যশোরের লোকসংস্কৃতি

যশোরের গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের লোকসংস্কৃতির প্রচলন রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জারি, ধুয়োভাব, বাউল, ও ফোলই গান। স্থানীয় আদিবাসী সম্প্রদায় যেমন বেদে, পোদ, কাওরা, বাগদি, এবং বুনো বিভিন্ন লোকজ অনুষ্ঠান পালন করে। বিশেষ করে পূজা ও বিয়ের মতো উপলক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানগুলি বেশ জনপ্রিয়।

যশোরের দর্শনীয় স্থানসমূহ

যশোর সদর উপজেলায় বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান রয়েছে যা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু স্থান হল:

  • জেসগার্ডেন পার্ক: যশোর শহরের একটি জনপ্রিয় পার্ক যা স্থানীয় ও পর্যটকদের প্রিয় স্থান।
  • মনিহার সিনেমা হল: যশোরের প্রাচীন ও বিখ্যাত সিনেমা হল।
  • ইমামবাড়ি: ঐতিহাসিক এবং ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
  • কেশবপুরের ভরতের দেউল: একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
  • খাঞ্জালির দীঘি: একটি সুন্দর ও ঐতিহাসিক দীঘি।
  • সাগরদাড়ি গ্রামের মধুপল্লী: মধুসূদন দত্তের স্মৃতি বিজড়িত স্থান।
  • মীর্জানগর হাম্মামখানা: একটি ঐতিহাসিক হাম্মামখানা।
  • অভয়নগরের খানজাহান আলী জামে মসজিদ: ঐতিহাসিক মসজিদ।
  • শ্রীধরপুর জমিদার বাড়ি: একটি প্রাচীন জমিদার বাড়ি।
  • রূপসনাতন ধাম: একটি পবিত্র ও দর্শনীয় স্থান।