ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এক নজরে যশোর জেলা Logo বান্দরবানে তৈরি হচ্ছে ভোজ্য তেল তুলার বীজ থেকে Logo আবেদন অনলাইনে, চাকরি দিচ্ছে মেঘনা গ্রুপ Logo বিষাক্ত সাপ কামড়ালে করণীয় কী, বিষাক্ত সাপ চিনবেন কীভাবে, জানালেন চিকিৎসক Logo যানজটে পড়লে ট্রাফিক পুলিশের সহায়তা নিতে পারবেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা Logo ব্ল্যাকমেইল করে চলতো দেহব্যবসা, অনলাইনে শত শত তরুণীর অশ্লীল বিজ্ঞাপন Logo কতটা সুরক্ষিত বাংলাদেশ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক সূচক প্রকাশ Logo বিএনপির ছয় নেতাকে আমন্ত্রণ জানাল আ.লীগ ফখরুলসহ Logo সেই শিক্ষকের স্ত্রী মারা গেলেন বিনা চিকিৎসায় পেনশন আটকে থাকাই Logo সুগন্ধি ব্যবহারের বিষয়ে হাদিসে যা এসেছে-জুমার দিনে

বিষাক্ত সাপ কামড়ালে করণীয় কী, বিষাক্ত সাপ চিনবেন কীভাবে, জানালেন চিকিৎসক

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৯:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪ ১০ বার পড়া হয়েছে

কোনটি বিষাক্ত সাপ চিনবেন কীভাবে, কামড়ালে করণীয় কী, জানালেন চিকিৎসক

সাপে কামড়ের পর করণীয় এবং সতর্কতামূলক পরামর্শ

সাপে কামড়ের পর করণীয়:

  1. আক্রান্ত ব্যক্তিকে আশ্বস্ত করুন: ভয় পাওয়া যাবে না, সাহস দিন।
  2. কামড় দেয়া স্থান Immobilised রাখুন: নড়াচড়া কম করতে হবে যাতে বিষ ছড়াতে না পারে।
  3. স্থানটিতে গিট দেবেন না: দড়ি বা ফিতা দিয়ে শক্ত করে বাঁধবেন না।
  4. আংটি বা চুড়ি খুলে ফেলুন: ফোলা ঠেকাতে, কামড়ের স্থানে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
  5. নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান: যত দ্রুত সম্ভব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজে যান।
  6. সাপ শনাক্তকরণ: সাপের ছবি তুলে রাখতে পারেন, তবে সাপ মারার চেষ্টা করবেন না।

বিষাক্ত সাপের কামড়ের লক্ষণ:

  1. চামড়ার রঙ পরিবর্তন: কামড় দেয়া স্থান কালচে হয়ে যেতে পারে।
  2. রক্তক্ষরণ: অনবরত রক্তক্ষরণ হতে পারে।
  3. নিদ্রাভাব: চোখের পাতা ভারি হয়ে যায়, ঝাপসা দেখা যায়।
  4. কথা জড়িয়ে যাওয়া: জিভ ভারী হয়ে আসে, ঢোক গিলতে অসুবিধা হয়।
  5. ঘাড় ভেঙে আসা: ঘাড় ব্যথা বা শক্ত হয়ে আসা।
  6. প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তন: রক্ত মিশ্রিত প্রস্রাব বা কালো রঙের প্রস্রাব।

সাপে কামড়ের পর যেসব কাজ করা যাবে না:

  1. ব্লেড দিয়ে কাটা: কামড় দেয়া স্থান কাটা যাবে না।
  2. রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া: এসিড বা অন্য কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করা যাবে না।
  3. অহেতুক খাবার খাওয়ানো: ঝালের গুড়া, কাঁচা মরিচ, লবণ ইত্যাদি খাওয়ানো যাবে না।
  4. বিষ চুষে ফেলা: সাপে কাটা স্থান চুষে বিষ নামানোর চেষ্টা করবেন না।
  5. গিট দেয়া: স্থানটিতে শক্ত করে গিট দেবেন না।
  6. ঝাড়-ফুক করা: ওঝা বা সাপুড়ের কাছে নিয়ে ঝাড়-ফুক করবেন না।

চিকিৎসা:

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা হাসপাতালের চিকিৎসকরা আক্রান্ত ব্যক্তিকে পরীক্ষা করে উপযুক্ত চিকিৎসা দেবেন। সময়মত চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সচেতনতা:

সাপ পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অহেতুক আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হতে হবে। সাপকেও বাঁচতে দিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

Categories

বিষাক্ত সাপ কামড়ালে করণীয় কী, বিষাক্ত সাপ চিনবেন কীভাবে, জানালেন চিকিৎসক

আপডেট সময় : ০৯:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪

সাপে কামড়ের পর করণীয় এবং সতর্কতামূলক পরামর্শ

সাপে কামড়ের পর করণীয়:

  1. আক্রান্ত ব্যক্তিকে আশ্বস্ত করুন: ভয় পাওয়া যাবে না, সাহস দিন।
  2. কামড় দেয়া স্থান Immobilised রাখুন: নড়াচড়া কম করতে হবে যাতে বিষ ছড়াতে না পারে।
  3. স্থানটিতে গিট দেবেন না: দড়ি বা ফিতা দিয়ে শক্ত করে বাঁধবেন না।
  4. আংটি বা চুড়ি খুলে ফেলুন: ফোলা ঠেকাতে, কামড়ের স্থানে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
  5. নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান: যত দ্রুত সম্ভব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজে যান।
  6. সাপ শনাক্তকরণ: সাপের ছবি তুলে রাখতে পারেন, তবে সাপ মারার চেষ্টা করবেন না।

বিষাক্ত সাপের কামড়ের লক্ষণ:

  1. চামড়ার রঙ পরিবর্তন: কামড় দেয়া স্থান কালচে হয়ে যেতে পারে।
  2. রক্তক্ষরণ: অনবরত রক্তক্ষরণ হতে পারে।
  3. নিদ্রাভাব: চোখের পাতা ভারি হয়ে যায়, ঝাপসা দেখা যায়।
  4. কথা জড়িয়ে যাওয়া: জিভ ভারী হয়ে আসে, ঢোক গিলতে অসুবিধা হয়।
  5. ঘাড় ভেঙে আসা: ঘাড় ব্যথা বা শক্ত হয়ে আসা।
  6. প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তন: রক্ত মিশ্রিত প্রস্রাব বা কালো রঙের প্রস্রাব।

সাপে কামড়ের পর যেসব কাজ করা যাবে না:

  1. ব্লেড দিয়ে কাটা: কামড় দেয়া স্থান কাটা যাবে না।
  2. রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া: এসিড বা অন্য কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করা যাবে না।
  3. অহেতুক খাবার খাওয়ানো: ঝালের গুড়া, কাঁচা মরিচ, লবণ ইত্যাদি খাওয়ানো যাবে না।
  4. বিষ চুষে ফেলা: সাপে কাটা স্থান চুষে বিষ নামানোর চেষ্টা করবেন না।
  5. গিট দেয়া: স্থানটিতে শক্ত করে গিট দেবেন না।
  6. ঝাড়-ফুক করা: ওঝা বা সাপুড়ের কাছে নিয়ে ঝাড়-ফুক করবেন না।

চিকিৎসা:

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা হাসপাতালের চিকিৎসকরা আক্রান্ত ব্যক্তিকে পরীক্ষা করে উপযুক্ত চিকিৎসা দেবেন। সময়মত চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সচেতনতা:

সাপ পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অহেতুক আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হতে হবে। সাপকেও বাঁচতে দিন।